০১ / ০৩
লেয়ার ১ ব্লকচেইন নেটওয়ার্ক
বাংলাচেইন বাংলাদেশের মানুষের জন্য তৈরি একটি সার্বভৌম লেয়ার ১ ব্লকচেইন নেটওয়ার্ক — লেনদেন ও তথ্য সংরক্ষণ এবং যাচাইয়ের একটি বিকেন্দ্রীভূত, সুরক্ষিত ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা।

বাংলাচেইন ফাউন্ডেশন একটি অলাভজনক গবেষণা ও উদ্ভাবন প্রতিষ্ঠান, যা উন্মুক্ত ডিজিটাল অবকাঠামো নির্মাণ, জনস্বার্থে নীতি গবেষণা ও অ্যাডভোকেসি, এবং বাংলাদেশজুড়ে ডিজিটাল সাক্ষরতা বিস্তারে কাজ করে।

কর্মসূচি ও উদ্যোগ
০১ / ০৩
বাংলাচেইন বাংলাদেশের মানুষের জন্য তৈরি একটি সার্বভৌম লেয়ার ১ ব্লকচেইন নেটওয়ার্ক — লেনদেন ও তথ্য সংরক্ষণ এবং যাচাইয়ের একটি বিকেন্দ্রীভূত, সুরক্ষিত ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা।
০২ / ০৩
উদীয়মান প্রযুক্তির নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা নিয়ে গভীর গবেষণা। দায়িত্বশীল কাঠামো গড়তে সরকার, শিক্ষাঙ্গন ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে একযোগে কাজ করা।
০৩ / ০৩
কর্মশালা, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষা উপকরণের একটি দেশব্যাপী কর্মসূচি — শিক্ষার্থী, পেশাজীবী ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের কাছে ডিজিটাল সাক্ষরতা পৌঁছে দেওয়া।
অবকাঠামো · লেয়ার ১ ব্লকচেইন নেটওয়ার্ক
বাংলাচেইন বাংলাদেশের মানুষের জন্য তৈরি একটি সার্বভৌম লেয়ার ১ ব্লকচেইন নেটওয়ার্ক — লেনদেন ও তথ্য সংরক্ষণ এবং যাচাইয়ের একটি বিকেন্দ্রীভূত, সুরক্ষিত ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা। এটি একটি অপরিবর্তনীয় খতিয়ান রাখে, ফলে অংশগ্রহণকারীরা কোনো মধ্যস্থতাকারী ছাড়াই সরাসরি একে অপরের সঙ্গে লেনদেন নিষ্পত্তি করতে পারেন — আর তার উপরেই চলতে পারে আর্থিক লেনদেন, সরবরাহ শৃঙ্খলের তথ্যসূত্র ও ডিজিটাল পরিচয়ের মতো কাজ।
এর লক্ষ্য একটি নৈতিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক ডিজিটাল পরিমণ্ডল গড়ে তোলা: যেখানে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি ও জলবায়ু অভিযোজন প্রথম সারির প্রশ্ন, প্রযুক্তিগত সার্বভৌমত্ব উৎসাহ পায়, আর স্থানীয় সংস্কৃতি ও মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে মিলিয়ে চলার মধ্য দিয়েই ডিজিটাল ঔপনিবেশিকতার জবাব দেওয়া হয়।
কেন বাংলাচেইন
বাংলাদেশের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থকে কেন্দ্রে রেখে তৈরি ডিজিটাল অবকাঠামো — বাইরে থেকে ধার করা বা জোড়াতালি দিয়ে বসানো নয়।
উন্মুক্ত প্রযুক্তি ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়া, আর এমন একটি পরিমণ্ডল যেখানে ডেভেলপাররা অনুমতির অপেক্ষা না করেই গড়ে তুলতে পারেন।
বণ্টিত অবকাঠামো, যা কোনো একক কর্তৃপক্ষ বা একক ব্যর্থতাবিন্দুর উপর নির্ভরতা কমাতে তৈরি।
প্রযুক্তির উচিত নাগরিক, ডেভেলপার, প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা — সবার জন্যই বাস্তব সুফল তৈরি করা।
গবেষণা · নীতি অ্যাডভোকেসি
বাংলাদেশে একটি লেয়ার ১ ব্লকচেইনের সুরক্ষিত ও টেকসই বিকাশ এবং প্রয়োগে সহায়তা করা ফাউন্ডেশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য — আগে প্রমাণ ও জ্ঞান তৈরি, তারপর সেই নিয়মকাঠামো নিয়ে কাজ যা প্রযুক্তিটিকে দায়িত্বশীলভাবে প্রয়োগ করতে দেয়।
বাংলাদেশের বাস্তবতার জন্য তৈরি লেয়ার ১ সমাধানটি নিয়ে, এবং তার উপরে চলা অ্যাপ্লিকেশনের পরিমণ্ডল নিয়ে অগ্রসর গবেষণা। এই কাজ মূল প্রোটোকলের দুর্বলতা চিহ্নিত ও প্রশমিত করে, উদীয়মান ঝুঁকি সামলায় এবং নতুন সম্ভাবনা খোঁজে — যাতে নেটওয়ার্ক তার ভিত্তিতেই মজবুত, সুরক্ষিত ও গোপনীয়তা-সম্মত থাকে, ব্যবহারকারীর তথ্য সুরক্ষিত থাকে এবং ব্যবস্থাটির প্রতি আস্থা তৈরি হয়।
পাশাপাশি, অ্যাডভোকেসি তৈরি করে সেই নিয়ন্ত্রক পরিবেশ যা এই প্রযুক্তির জন্য প্রয়োজন। সরকারি কর্তৃপক্ষ, শিল্পখাতের বিশেষজ্ঞ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য অংশীজনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করে আমরা এমন নিয়ন্ত্রক কাঠামো, আইনি বিন্যাস ও কৌশলগত নীতি নকশা ও প্রসার করি, যা নেটওয়ার্কটিকে দেশের বৃহত্তর ডিজিটাল পরিসরে যুক্ত করে — উদ্ভাবনকে উৎসাহ দেয়, আবার স্বচ্ছতা, ব্যবহারকারীর সুরক্ষা ও দীর্ঘমেয়াদি টেকসইতাও ধরে রাখে।
শিক্ষা · বাংলাচেইন একাডেমি
বাংলাদেশজুড়ে ডিজিটাল সাক্ষরতা বিস্তারে ফাউন্ডেশন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ — বিশেষ করে ব্লকচেইনকে সহজবোধ্য করে তোলা এবং দেশের ডিজিটাল রূপান্তরে ব্যাপক জনঅংশগ্রহণের পথ খুলে দেওয়ার ক্ষেত্রে। বাংলাচেইন একাডেমির মাধ্যমে আমরা শিক্ষামূলক কর্মসূচি, কর্মশালা ও প্রশিক্ষণ আয়োজন করি, যেখানে প্রাথমিক ও উন্নত — দুই ধরনের ধারণা, তাদের প্রয়োগ এবং সমাজে তাদের প্রভাব নিয়েই আলোচনা হয়।
লক্ষ্যটি বাস্তবমুখী: মানুষ যেন কেবল প্রযুক্তিটি কীভাবে কাজ করে তা-ই না বোঝেন, বরং বাস্তব সমস্যার সমাধানে ও নতুন সুযোগ তৈরিতে তা কীভাবে কাজে লাগানো যায় তাও বোঝেন। ব্লকচেইন সাক্ষরতাকে সহজলভ্য ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করার মধ্য দিয়েই উদ্ভাবন ও সচেতন অংশগ্রহণের সংস্কৃতি গড়ে ওঠে।
একাডেমি কাদের জন্য
মৌলিক ধারণা, পাঠ্যক্রম অংশীদারিত্ব এবং যে প্রযুক্তি তাঁদের কর্মজীবন গড়ে দেবে তার সঙ্গে আগেভাগেই পরিচয়।
প্রযুক্তি, অর্থ, আইন ও জনপ্রশাসনে কর্মরত মানুষের জন্য প্রয়োগমুখী প্রশিক্ষণ।
সহজ ভাষার কর্মসূচি, যা স্থানীয় প্রতিষ্ঠানকে নিজেদের শর্তে প্রযুক্তিটি বোঝাতে, প্রশ্ন করতে ও গ্রহণ করতে সাহায্য করে।
ফাউন্ডেশন পরিচিতি
০১
উন্মুক্ত প্রক্রিয়া, উন্মুক্ত পরিচালনা, উন্মুক্ত কোড — প্রতিটি স্তরে, শুরু থেকেই।
০২
প্রযুক্তি একটি মাধ্যম, কখনোই শেষ কথা নয়। প্রতিটি সিদ্ধান্ত মাপা হয় তার মানবিক পরিণতির নিরিখে।
০৩
বণ্টিত কর্তৃত্ব, বহুস্বর — এমন অবকাঠামো গড়া যার তত্ত্বাবধান কমিউনিটি নিজেই করতে পারে।
০৪
দীর্ঘমেয়াদি ভাবনা: পরিবেশগত, অর্থনৈতিক, প্রাতিষ্ঠানিক। আমরা গড়ি দশকের জন্য, ত্রৈমাসিকের জন্য নয়।
০৫
অস্বচ্ছ, বিদেশনিয়ন্ত্রিত ব্যবস্থার উপর নির্ভরতা কমানো — স্থানীয় উদ্ভাবন ও মালিকানাকে এগিয়ে নেওয়া।
নেতৃত্ব
পরিচালনা পর্ষদ
অধ্যাপক, কম্পিউটার সায়েন্স, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়
পরিচয় ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা গবেষণা।
লেখক, অ্যাক্টিভিস্ট ও নৃতাত্ত্বিক উদ্ভিদবিজ্ঞানী
আদিবাসী জ্ঞানব্যবস্থা, জীববৈচিত্র্য।
আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
কর্পোরেট, মামলা ও নিয়ন্ত্রক আইনে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা।
শিল্প কিউরেটর, সম্পাদক ও আলোকচিত্রী
সাংস্কৃতিক সংলাপ, দৃশ্য যোগাযোগ, সম্পাদনা চর্চা।
উদ্যোক্তা এবং ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্ট
টেকসইতা, নৈতিক প্রযুক্তি ও বিকেন্দিভূত সুশাসন।
হিসাববিজ্ঞান ও অর্থনীতি পেশাজীবী
উন্নয়ন অর্থনীতি, হিসাববিজ্ঞান, তথ্যব্যবস্থা।
উদ্যোক্তা
কমিউনিটিভিত্তিক, টেকসই ও প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান।
যোগাযোগ করুন
অংশীদারিত্ব · গবেষণা · সংবাদমাধ্যম
সরকার, এনজিও, বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার কাছ থেকে অংশীদারিত্বের প্রস্তাব আমরা স্বাগত জানাই। সংক্ষিপ্ত একটি বার্তা পাঠান, আমরা যোগাযোগ করব।
বার্তা পাঠান